
তিনি আরও বলেন, রাসায়নিকের বিকল্প হিসেবে বায়োলিড শুধু ধানের ফলন বাড়ায় না, বরং জমির মাটিকেও পুনর্জীবিত করে। এর মাধ্যমে আমরা একদিকে পরিবেশ রক্ষা করছি, অন্যদিকে কৃষক পাচ্ছেন নিরাপদ খাদ্য ও বাড়তি আয়।অনুষ্ঠান শেষে মাঠ পর্যায়ের কৃষকদের নিয়ে বায়োলিড প্রয়োগ করা জমির ফলন পর্যালোচনা করা হয়। কৃষকরা জানায়, যেখানে আগে রাসায়নিক ব্যবহার করা হতো সেখানে ধানের গোড়া দুর্বল ও রোগবালাই বেশি দেখা যেত। কিন্তু বায়োলিড ব্যবহারের পর গাছ সবল হয়েছে, ফলনও বেড়েছে প্রতি বিঘায় ৩ থেকে ৪ মণ পর্যন্ত।চিরিরবন্দরের কৃষক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, আমি প্রথমবারের মতো আমার ৩ বিঘা জমিতে বায়োলিড ব্যবহার করেছি। গাছের রঙ, পাতার সবলতা আর ধানের শীষ দেখে আমি অবাক হয়েছি। এমন ফসল আগে কখনো পাইনি। আমি এবার আরও জমিতে বায়োলিড ব্যবহার করব।অনুষ্ঠানের শেষে উপস্থিত কৃষকরা বায়োলিডের...